সাতক্ষীরায় আনসার নেত্রীর হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল কিশোরী
ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক দলনেত্রীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ১১ নম্বর ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ১৪ বছর বয়সী মেয়ে লামিয়া খাতুনের বিয়ের উদ্যোগ নেয় তার পরিবার। এ উপলক্ষে আইনজীবীর সহায়তায় নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে একটি বিবাহের ঘোষণাপত্র (অ্যাফিডেভিট) তৈরিরও চেষ্টা করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যান ইউনিয়নের বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দলনেত্রী নাছিমা খাতুন এবং তার সঙ্গে থাকা আনসার সদস্যরা। তারা বর-কনে, উভয় পক্ষের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় কিশোরীর জন্মসনদ যাচাই করে দেখা যায়, তার বয়স মাত্র ১৪ বছর, যা বিয়ের জন্য আইনগতভাবে নির্ধারিত বয়সের অনেক নিচে। দলনেত্রী নাছিমা খাতুন জানান, আগেই তিনি খবর পেয়েছিলেন যে এলাকায় একটি বাল্যবিবাহের আয়োজন চলছে। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করেন। পরে উভয় পক্ষের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে বাল্যবিবাহের চেষ্টা না করার অঙ্গীকারনামা (মুচলেকা) নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আনসার দলনেত্রী নাছিমা খাতুনের এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

