খোলপেটুয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন: একজনের কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টার: শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে আক্তারুল গাজী(৩৩) নামের এক ব্যক্তিকে সাত দিনের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় নৌযানের মালিক জামিরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত পাইপসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদী ধ্বংস করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাত একটার দিকে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ উপজেলার বড়কুপোট জামান সাহেবের ভাটা সংলগ্ন এলাকা থেকে উক্ত বালুর কারগো সহ তাদের কে আটক করে।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে শনিবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাশেদ হোসাইন তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আক্তারুল গাজী খুলনার পাইকগাছার বারুলী গ্রামের জিল্লাপ গাজীর ছেলে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত ৩০ শে চৈত্র সাতক্ষীরা জেলার একমাত্র বালুমহালের (হিজলিয়া) ইজারার মেয়াদ শেষ হয়েছে। তারপর থেকে শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের বহিস্কৃত নেতা ভুমিদস্যু জি এম হাবিবুল্লাহ ও আটুলিয়া যুবদলের আহবায়ক গাজী আল আমিন এবং আটুলিয়া ছাত্রদলের সভাপতি সুজনের নেতৃত্বে লোকজন দিয়ে রাতের অন্ধকারে খোলপেটুয়া নদী থেকে ১০/১২টি কারগো দিয়ে বালু লুট অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার রাতে তাদের লোকজন খোলপেটুয়ার প্রবল ভাঙনকবলিত বড়কুপোট এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের সময় পুলিশ তাদের আটক করে।
এসব গ্রামবাসী আরও জানায় খোলপেটুয়া নদীর বন্যতলা আটুলিয়া বড়কুপট এলাকা সহ অপরাপর অংশ থেকে প্রতিদিন সারা রাত ধরে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জড়িত একজনকে সাতদিনের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে এবং নৌযান কারগো মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ইজারা না থাকায় এখন কেউ এমন কাজ করলে এবং ইজারা দেয়া অংশের বাইরে থেকে বালু উত্তোলন করলে একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

