রাজনীতিলিডশিক্ষাঙ্গনসাতক্ষীরা জেলা

সাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার: “কিশোর কণ্ঠ পড়বো, জীবনটাকে গড়বো” এই স্লোগানকে সামনে রেখে কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি ২০২৫-এর বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সঞ্চালনা করেন নির্বাহী পরিচালক আবু সালেহ সাদ্দাম। প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক, ‘মোরা বড় হতে চাই’ গ্রন্থের লেখক ড. আহসান হাবিব ইমরোজ। প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক ওমর ফারুক, সাবেক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাওলানা হাবিবুর রহমান, আব্দুর রহিম, সাবেক অধ্যক্ষ এমদাদুল হক, ড. মিজানুর রহমান ও ড. মুফতি আখতারুজ্জামান। প্রধান আলোচক ড. আহসান হাবিব ইমরোজ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমাদের এই অর্জন শুধু একটি সনদ নয়, বরং এটি তোমাদের মেধা, পরিশ্রম ও ভবিষ্যতের সম্ভাবনার প্রতীক। পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ অর্জন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

প্রধান অতিথি হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী শিক্ষার্থীদের প্রতি উৎসাহ দেন দেশ ও জাতি গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য। অনুষ্ঠানে চতুর্থ থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত মোঃ রোকনুজ্জামান রাহি কে একটি ট্যাব এবং অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত হাসান ফারহান কে একটি ল্যাপটপ প্রদান করা হয়।

এছাড়া সকল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সনদপত্র, ক্রেস্ট, কিশোর কণ্ঠ লোগো সম্বলিত স্কুল ব্যাগ ও নগদ অর্থ উপহার হিসেবে পান। ট্যালেন্টপুলে ৪০ জন, সাধারণ গ্রেডে ৬৫ জন, বিশেষ বিবেচনায় ৫৮ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ১৬৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি প্রাপ্ত হন। অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়, যেখানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুরাইয়া ইয়াসমিন, এবং পুরো অনুষ্ঠান আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার করে সমাপ্ত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *