সাতক্ষীরা নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ
স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রী। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন বাল্যবিবাহটি বন্ধ করে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নিষেধাজ্ঞা দেয়।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু সুরক্ষাকর্মী বাসিয়ার রহমান জানা যায়, কয়েকদিন আগে ওই ছাত্রীর বাল্যবিবাহ সম্পন্ন ছিল। গোপনে এ খবর পেয়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তার প্রতিনিধি কনের বাড়িতে নোটিশ দেওয়া হয়।
মহিলা বিষয়ক উপ-পরিচালক নাজমুল নাহার জানান, অদ্য ঐ ছাত্রীর পরিবার উপস্থিত হয়ে তাদের স্বীকার করেন এবং তারা এ ভুলের জন্য ক্ষমা চান। এসময়ে ঐ ছাত্রীর দাদি, বাবা ও মামার উপস্থিতে মা ফতেমা খাতুন মুচলেকাও দেন। তিনি কঠোরভাবে আরো বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তারা ছাড় দিতে চান না এবং জনসচেতনতায় এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলা জানান, সাতক্ষীরা পৌরাধীন নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ১৫ বয়সী এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ গোপনে সম্পন্ন করে শহরের কামালনগর এলাকায় আজিজুল হক বাবু গার্মেন্ট সুপারভাইজার ২২ বছরের ছেলে সাব্বির হোসেনের সাথে। বাল্যবিবাহটি ইতিপূর্বে গোপনে পার্শ্ববর্তী সদর উপজেলার ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধক মাওঃ মো রওশন আলমের সিল স্বাক্ষর একটি রেজিস্ট্রেশন পেপার দেখায়।
সর্বশেষ প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এ বাল্যবিবাহের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে। মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না একইসাথে তার পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।

