সাতক্ষীরায় যুবতীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার-১
স্টাফ রিপোর্টার: মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ব্যক্তির ষোড়শী কন্যাকে একা পেয়ে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামী দোবশীষ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার রাতে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশর্^বর্তী এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দেবাশীষ মন্ডলে সাতক্ষীরা সদরের কুলতিয়া গ্রামের ভোলানাথ মন্ডলের লের ছেলে।
মামলার বিবরনে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদরের বুধহাটা ইউনিয়নের একটি গ্রামের ষোড়শী এক নারীকে বেশ কিছুদিন আগে বাড়িতে কেউ না থাকার সূযোগে ধর্ষণ করে কুলতিয়া গ্রামের কলেজ ছাত্র দোবাশীষ মন্ডল। ধর্ষণে বাধা দেওয়া ওই ষোড়শীকে উপর্যুপরি কামড়ে জখম করা হয়। ধারণ করা হয় ধর্ষণের ভিডিও চিত্র। ধর্ষণের ভিডিও চিত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বেশ কয়েকবার ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে দোবশীষ। দেবাশীষের সহযোগী ছিলো একই গ্রামের জগবন্ধু ঘোষের ছেলে হৃদয় ঘোষ ও মাদকসেবী হাবিব।
বিষয়টি ওই মেয়ে তার বাবা ও মাকে জানানোর পর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। নিরুপায় হয়ে ওই ষোড়শীর মা বাদি হয়ে গত ২৩ জানুয়ারি ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১)/১০ ধারা তৎসহ ২০১২ সালের পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮(১)(২)(৩) এবং পেনাল কোডের ৩৪১/৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় দেবাশীষ ও হৃদয় এর নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ওই ষোড়শীকে সাতক্ষীলা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি করানো হয়। ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক সোহরাব হোসেনকে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়। মামলার বিষয়টি জানতে পেরে র্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা শাখার সদস্যরা বুধবার সন্ধ্যায় পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশ থেকে দেবাশীষকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক সোহরাব হোসেন আসামী দেবাশীষকে র্যাব সদস্যরা আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে বৃহষ্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে।
গাজী হাবিব
সাতক্ষীরা
০১৭১২৩৩৪০৯৯
২৮.০১.২০২৬

