কালিগঞ্জশিক্ষাঙ্গনশ্যামনগর

কালিগঞ্জে সিফাত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গুণীজন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

তাপস কুমার ঘোষ, কালিগঞ্জ: দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা ভোগান্তির পর অবশেষে সংবর্ধনা পেলেন মেধাবী শিক্ষার্থী ও গুণীজনরা। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় সায়েদুল ইসলাম ফাউন্ডেশন দুলাবালা (SIFAD)-এর উদ্যোগে কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সংবর্ধনা প্রদান করেন।

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায় থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ২৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ও ৫ জন গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনার জন্য মনোনীত করা হয়। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রতনপুর ইউনিয়নের পিডিকে ফুটবল মাঠে দুপুর ১টায় সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর সাড়ে ১২টা থেকেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে অপেক্ষা শুরু করেন। তবে নির্ধারিত সময়ে অতিথিরা উপস্থিত না হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে সবাইকে অপেক্ষা করতে হয়।

বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোনো অতিথি না আসায় উপস্থিতদের হাতে পানি ও হালকা নাস্তা বিতরণ করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অতিথিরা এলেও অনুষ্ঠানস্থলে কম লোকজন দেখে তারা পাশের একটি বিদ্যালয়ে অবস্থান নেন। শেষ পর্যন্ত বিকেল পৌনে ৪টার দিকে অতিথিরা মঞ্চে উপস্থিত হলে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা ছিল সীমিত। বিকেল ৪টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ২৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে ল্যাপটপ, সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এমবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ও সচিব আব্দুল মজিদসহ পাঁচজন গুণী ব্যক্তির হাতে সম্মাননা চেক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে সায়েদুল ইসলাম ফাউন্ডেশন দুলাবালার সহ-সভাপতি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিব এবং এসডিএফ-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনিস-আর-রেজা, উপ-পরিচালক ড. এস এম সাজ্জাদ হোসেন, কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ আবু সাঈদ মাহমুদ, কৃষি উদ্যোক্তা মিজানুর রহমান, নলতা আহসানিয়া মিশন হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুর রহমান এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *