যশোরশার্শা

শার্শার কায়বায় সরকারি রাস্তায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ, প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা

স্টাফ রিপোর্টার: শার্শা উপজেলা প্রশাসন ও ৭নং কায়বা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়ী মৌজার ২০১৪ নং সরকারি রেকর্ডিয় রাস্তার উপর জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করছে উক্ত রাস্তার দক্ষিণ পাশের ২০১৭ নং প্লটের মালিক মিলন ও রিপন। সরকারি রাস্তা জবরদখলকারী মিলন ও রিপন উপজেলার বাগুড়ী গ্রামের মৃত হবিবর মল্লিকের ছেলে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছরে পাশের পুকুরের পাড় ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে উক্ত রাস্তার দীর্ঘ ৪০ ফুট মতো অংশ পুকুরের সাথে মিশে আছে। এব্যাপার উপজেলা প্রকল্প পরিচালককে বিষয়টি অবহিত করলে উক্ত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন। এবং স্থানীয়দের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকমাস পূর্বে সাবেক শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাজিব হাসান এবং এসিল্যান্ড মহোদয় কায়বা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়কে রেকর্ডিয় রাস্তার নির্ধারিত স্থানে রাস্তা নির্মাণের আদেশ দেন। এবং রাস্তার সীমানা নির্ধারণের জন্য ইউএনও ও এসিল্যান্ড মহোদয় উপজেলার সার্ভেয়ার জনাব মিজানুর রাহমানকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মোতাবেক সার্ভেয়ার মহোদয় উক্ত রাস্তার উভয় পাশের প্লট মালিক ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে উক্ত রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করে রেখে যান।

কিন্তু কয়েকদিন ধরে পাশের জমির মালিক মিলন ও রিপন সকল নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক উক্ত রাস্তার উপর ঘর নির্মাণ করিতেছে। এব্যাপারে কায়বা ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা অবহিত হওয়ায় পরপর ৩ দিন তার অফিসের লোকজন পাঠিয়ে নিষেধ করলেও কোন কর্ণপাত না করে উক্ত রাস্তার উপর জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে জবরদখলকারীরা।

এবিষয়ে কায়বা ভূমি কর্মকর্তা জনাব ফারুক হোসেন জানান, বিষয়টি জানার পর ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশ মোতাবে আমি পরপর ৩ দিন অফিস থেকে লোক পাঠিয়ে সার্ভেয়ার কর্তৃক রাস্তার নির্ধারিত সীমানার মধ্যে ঘর নির্মাণ করতে নিষেধ করলেও তারা কাজ বন্ধ করছেনা। বরং তারা বলছে, আপনি যা পারেন তাই করেন।

উপরোক্ত বিষয়ে স্থানীয়রা রেকর্ডিয় রাস্তার উপর থেকে অবিলম্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য শার্শা উপজেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *